শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
গোলাপগঞ্জ থানায় ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়ম : ওসি ছাবেদ ও এসআই শংকরের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্যকে নিয়ে অপপ্রচার : তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিসিক প্রকৌশলী দেবুর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ ভূয়া কাগজে স্পেনের স্বপ্ন দেখিয়ে ৪৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ: প্রতারক ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ লামাবাজারে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এসআই মাইনুলের শক্ত অবস্থান এআই দিয়ে ছবি বানিয়ে জেলা যুবদলের সভাপতি মকসুদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার! সিসিকের বাছিত সিন্ডিকেট : প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা! সিলেটে সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, থানায় জিডি ওসমানী মেডিকেলের মুদ্রণসামগ্রী ক্রয়ের দরপত্রে বড় ধরনের অনিয়ম!
বিশ্বনাথে ‘গরুচোর’ সন্দেহে কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন, মামলা দায়ের

বিশ্বনাথে ‘গরুচোর’ সন্দেহে কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন, মামলা দায়ের

বিশ্বনাথ সংবাদদাতা
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এক কিশোরের উপর অমানবিক নির্যাতনের ভিডিওচিত্র। সেই ভিডিও দেখে নিন্দার ঝড় তুলেছেন নেটিজেনেরা। দাবি উঠেছে- জড়িতদের শিগিরই আইনের আওতায় আনার। এ ঘটনায় সোমবার (১৮ মার্চ) রাতে মামলা নিয়েছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।

এর আগে, রোববার (১৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মটুককোনা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। চুরির অভিযোগে নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরের নাম ওলিউর রহমান (১৪)। সে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মজনপুর গ্রামের দিনমজুর রোহেল মিয়ার ছেলে।

সূত্র জানায়, একই ইউনিয়নের মটুককোনা গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লায়েক আহমদের বাড়িতে ‘গরুচোর’ সন্দেহে কিশোর ওলিউরকে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। রাতে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে সেখান থেকে প্রাইভেট হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয় তাকে। এক পর্যায়ে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এ নির্যাতনের ভিডিও। ওঠে নিন্দার ঝড়। পরে মামলা নেয় পুলিশ।

ভিকটিমের মা জলি বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লায়েক আহমদকে।

ওলিউরের পিতা রোহেল মিয়া জানান, আমার নিরপরাধ ছেলেকে চোর অপবাদ দিয়ে মেম্বারের বাড়ি নিয়ে অমানষিক নির্যাতন করা হয়। ওই গ্রামের মবশির আলীর ছেলে আবদুল বারিকসহ একাধিক লোকজন এ কাণ্ড ঘটায়।

অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধি লায়েক আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, আমি বাড়িতে থাকাকালে কোন নির্যাতন করা হয়নি। তাকে মুরব্বিদের জিম্মায় রেখে যাবার পর এই ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, এটি একটি অমানবিক ঘটনা। এ ঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে। আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo