
নিউজ মিরর ডেস্ক
বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ওয়েলফেয়ার এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ দেশসেরা আইনজীবী (বিশেষ সম্মাননা) বিভাগে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের খ্যাতিমান আইনজীবী, হ্যাপী বাংলাদেশ এর গভর্ণর, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডি-৬৫ এর ডেপুটি কোওর্ডিনেটর এবং দ্যা চেম্বার অব ‘ল এর প্রধান এডভোকেট এম এ সালেহ চৌধুরী।
শনিবার (৯ মে) ঢাকায় অভিজাত কনফারেন্স হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও উদ্ভাবকদের উপস্থিতিতে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
এ আয়োজনে বিভিন্ন পেশার মোট ১০ জনকে সম্মাননা দেওয়া হয়, যারা সমাজের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে ভূমিকা রাখছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের কাছ থেকে বিনামূল্যে আইনি সেবা, আইন গবেষণা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ওয়েলফেয়ার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ গ্রহন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এ সালেহ চৌধুরী।
আয়োজক সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান, আইন বিষয়ে গঠনমূলক গবেষণা এবং মানবাধিকার কল্যাণে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় তাঁর নিরলস কাজ দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।
অ্যাডভোকেট এম এ সালেহ চৌধুরী সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার এওলাসার গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাওলানা ওয়ালিউর রহমান চৌধুরী ও মোছাম্মৎ দিলারা খানম চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি মানবাধিকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
এই সম্মাননার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সিলেটের জকিগঞ্জসহ সারা দেশে তাঁর শুভাকাক্সক্ষী, সহকর্মী ও আত্মীয়স্বজনের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। সিলেটের সচেতন মহল মনে করছেন, এই প্রাপ্তি জেলার জন্য এক অনন্য গৌরব।
সহকর্মীরা জানান, এম এ সালেহ চৌধুরী কেবল একজন দক্ষ আইনজীবীই নন, বরং একজন মানবিক মানুষ। এই সম্মাননা তাঁর কাজের যথাযথ স্বীকৃতি এবং এটি ভবিষ্যতে তাঁকে আরও বড় পরিসরে মানবসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অ্যাডভোকেট এম এ সালেহ চৌধুরীর এই অর্জন নতুন প্রজন্মের আইনজীবীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আর্তমানবতার সেবা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে এই স্বীকৃতি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।