সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
সিলেট মহানগর যুবদলের কমিটি ঘোষণা : সভাপতি সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক দিনার সিলেট জেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা : সভাপতি মকসুদ, সাধারণ সম্পাদক টিপু শ্রুতি লেখকের দায়িত্ব পালন করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে পল্লব : অচিনপুরী মেজরটিলায় পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস ইসলামপুর’ ক্যাম্পেইনও ডিজিটাল সেলফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও সেফটি প্ল্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মতবিনিময় সিলেটে যুক্তরাজ্যগামী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এএইচ জেড এসোসিয়েট এর প্রি-ডিপারচার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কালারফুল সিলেটের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত সিলেটের জিডিএফ’র প্রতিষ্ঠাতা রজব আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সাবেক সভাপতি রজব আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অবিস্মরণীয় : এম এ মালিক
মইন উদ্দিন মহিলা কলেজ : অবৈধভাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে এনামুল হক সোহেল

মইন উদ্দিন মহিলা কলেজ : অবৈধভাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে এনামুল হক সোহেল

বিশেষ প্রতিবেদক
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মইন উদ্দিন আর্দশ মহিলা কলেজ সিলেটের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে চাঞ্চল্যকর অনিয়ম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত চাকরি শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) ২০১৯-এর ১২ নম্বর ধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রতি তিন বছর অন্তর বিভাগীয় প্রধান পরিবর্তন করতে হবে এবং এই দায়িত্ব কলেজ গভর্নিং বডি কর্তৃক নির্ধারিত হয়।

কিন্তু এসব বিধানকে উপেক্ষা করে ঐ কলেজের শিক্ষক এনামুল হক চৌধুরী সুহেল বিগত ০৭ বছর ধরে (২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত) সিলেট নগরের শামীমাবাদে অবস্থিত মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে একটানা ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব (আওয়ামীপন্থী পরিচয়) ও বিগত গভর্নিং বডির বিশেষ ব্যক্তিবর্গ-সাবেক সভাপতি ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ড. আহমেদ আল কবিরের-সহযোগিতায় এই অনিয়মকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল বলছেন, এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ। কারণ, ৩ বছর অতিক্রম করার পর তাঁর ঐ পদে থাকার আর কোন সুযোগ নেই।নীতিমালা অনুযায়ী বিভাগের পরবর্তী সিনিয়র শিক্ষকদায়িত্ব পালন করতে হবে। এই অবস্থায় তাঁর দ্বারা প্রদত্ত স্বাক্ষর ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষার্থীদের একাংশ ও অন্যান্য শিক্ষকরা দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে নিয়ম অনুযায়ী নতুন বিভাগীয় প্রধান নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে এনামুল হক চৌধুরী সুহেল এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি রেসপন্স করেননি। পরে তারঁ হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে মেসেজ দিলেও তিনি কোন রিপ্লাই দেননি।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo