শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান সামছুল ইসলাম টিটু হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মোগলাবাজার থানা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চান সমাজসেবী চিনু আক্তার মে দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রস্তুতি সভা সিলেটে ক্যারিয়ার হাব পাওয়ার্ড বাই ব্র্যাক-এর উদ্যোগে এমপ্লয়ার্স মিট-আপ সেশন অনুষ্ঠিত হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি সিলেটের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত এনসিপি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আহবায়ক কমিটির বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো কবি ও বাচিকশিল্পী সালেহ আহমদ খসরুর একক কবিতাসন্ধ্যা প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আজহারুল ইসলাম মুমিন
মইন উদ্দিন মহিলা কলেজ : অবৈধভাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে এনামুল হক সোহেল

মইন উদ্দিন মহিলা কলেজ : অবৈধভাবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে এনামুল হক সোহেল

বিশেষ প্রতিবেদক
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মইন উদ্দিন আর্দশ মহিলা কলেজ সিলেটের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে চাঞ্চল্যকর অনিয়ম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত চাকরি শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) ২০১৯-এর ১২ নম্বর ধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রতি তিন বছর অন্তর বিভাগীয় প্রধান পরিবর্তন করতে হবে এবং এই দায়িত্ব কলেজ গভর্নিং বডি কর্তৃক নির্ধারিত হয়।

কিন্তু এসব বিধানকে উপেক্ষা করে ঐ কলেজের শিক্ষক এনামুল হক চৌধুরী সুহেল বিগত ০৭ বছর ধরে (২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত) সিলেট নগরের শামীমাবাদে অবস্থিত মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে একটানা ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব (আওয়ামীপন্থী পরিচয়) ও বিগত গভর্নিং বডির বিশেষ ব্যক্তিবর্গ-সাবেক সভাপতি ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ড. আহমেদ আল কবিরের-সহযোগিতায় এই অনিয়মকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল বলছেন, এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ। কারণ, ৩ বছর অতিক্রম করার পর তাঁর ঐ পদে থাকার আর কোন সুযোগ নেই।নীতিমালা অনুযায়ী বিভাগের পরবর্তী সিনিয়র শিক্ষকদায়িত্ব পালন করতে হবে। এই অবস্থায় তাঁর দ্বারা প্রদত্ত স্বাক্ষর ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষার্থীদের একাংশ ও অন্যান্য শিক্ষকরা দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে নিয়ম অনুযায়ী নতুন বিভাগীয় প্রধান নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে এনামুল হক চৌধুরী সুহেল এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি রেসপন্স করেননি। পরে তারঁ হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে মেসেজ দিলেও তিনি কোন রিপ্লাই দেননি।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo