বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
মনির উদ্দিন আহমদের মৃত্যুতে মনির আহমদ একাডেমি প্রাইভেট ক্যাডেট কলেজ পরিবারের শোক প্রকাশ সৈয়দপুর শামসিয়া সমিতি লন্ডনের উ‌দ্যো‌গে লর্ড মেয়র, মেয়র ও কাউ‌ন্সিলার‌দেরকে সংবর্ধনা প্রদান পট পরিবর্তনের ম্যাজিক : আ. লীগের বেলাল এখন বিএনপি নেতা! সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন সম্পন্ন নজরুল ইসলাম চৌধুরী সাবুল ও সৈয়দ বাবুল হোসেনকে ২৪নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির উদ্যোগে জৈন্তাপুর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি প্রতিটি জনপদকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : ইমদাদ চৌধুরী সিলেটে এডভান্সড রিহ্যাব এন্ড ওয়েলনেস সেন্টারের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট মুরুব্বি মখন মিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কুলখানী সম্পন্ন পূজা উদযাপন ফ্রন্ট জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন
হবিগঞ্জে ভুয়া জামিননামায় কারাগার থেকে ছাড়া হল ৪ আসামি

হবিগঞ্জে ভুয়া জামিননামায় কারাগার থেকে ছাড়া হল ৪ আসামি

https://newsmirror24.news/

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা
হবিগঞ্জে ভুয়া জামিননামা দিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে গেল মাদক মামলার ৪ জন আসামি। যা নিয়ে হবিগঞ্জের আদালতপাড়াসহ সর্বত্র এখন চলছে নানা ধরণের আলোচনা ও সমালোচনা। ভুয়া জামিননামা দিয়ে বের হওয়া মাদক মামলার আসামিরা হল সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার শিমুলগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কদ্দুছ মিয়ার ছেলে রুয়েল মিয়া, একই উপজেলার কিরণ মিয়ার ছেলে আলী হোসেন, জগন্নাথপুর উপজেলার পাগলা গ্রামের সজলু মিয়ার ছেলে আজাদ মিয়া ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার কিরগাও গ্রামের লেবু মিয়ার ছেলে সুয়েব মিয়া।

জানা যায়, ৬ জানুয়ারি জেলার মাধবপুর উপজেলায় ৩৫ কেজি গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ে উল্লেখিত ৪ মাদক কারবারি। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মাদক কারবারিদের আইনজীবী এডভোকেট ফয়সল আদালতে বেশ কয়েকবার তাদের জামিন আবেদন প্রার্থনা করেন। কিন্তু আদালত তাদেরকে জামিন দেননি। সবশেষে গত ২৬ জানুয়ারিও তাদের জামিন আবেদন করা হয়। কিন্তু হঠাৎ করে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) তারা জামিনে বের হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে (৩০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার এডভোকেট ফয়সল আদালতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন তার আসামিরা ভুয়া জামিননামা তৈরি করে জিআরও অফিসের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পরে সেখান থেকে তারা ছাড় পেয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এডভোকেট ফয়সল জানান, উল্লেখিতদের ম্যজিস্ট্রেট ও জজ কোর্টে জামিন চেয়ে পাইনি। পরবর্তীতে আমি হাইকোর্টে কাগজপত্র পাঠাতে চাইলে তার স্বজনরা জানায় হাইকোর্টে কাগজপত্র পাঠানোর কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের লোকজন জামিন নিয়ে বের হয়ে গেছে। এ বিষয়টি জানার পর আমি হতভম্ব হয়ে পরি। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখি ভুয়া জামিননামা তৈরি করে জিআরও অফিসের মাধ্যমে তা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়।

জানতে চাইলে হবিগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর (ওসি) নাজমুল হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর থেকেই আমরা খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি। কে জামিননামা দিল আবার কিভাবে সেটা কারাগারে গেল তা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি জানার পর আপনাদের জানাতে পারব। এছাড়াও এ ঘটনায় জিআরও অফিসের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মুজিবুর রহমান বলেন, প্রতিদিনকার নিয়মেই আদালত থেকে আমাদের কাছে জামিননামা আসে। সেই অনুযায়ী বন্দিরা ছাড়া পায়। তবে সেটি ভুয়া জামিননামা ছিল এ বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

 

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo