
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা বলেছেন, দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দেশের সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, পরমেশ্বর শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের অবমাননা করার মাধ্যমে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া হয়েছে। স্বাধীন এই দেশে সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষেরা স্বাধীনভাবে ধর্মীয় বিশ্বাস লালন ও পালন করতে পারছেন না, এটা মেনে নেয়া যায় না। তিনি অবিলম্বে পরমেশ্বর শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে তিনি দেশের সকল মঠ, মন্দির ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নগরীর ব্রহ্মময়ী মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সিলেট জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রঞ্জন ঘোষ এর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ ভাস্কর রঞ্জন দাস, সহ-সভাপতি ও সিলেট জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃপেশ চন্দ্র পাল, জেলা পূজা পরিষদের সহ-সভাপতি ব্যাংকার বিশ্বজিৎ গুণ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শৈলেন কুমার কর, সাংগঠনিক সম্পাদক এড. নিতু কান্ত দাস, কোষাধক্ষ্য বিদ্যুৎ কান্তি সেন, সহ-কোষাধ্যক্ষ কনিষ্ক দে সানি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক লিপটন রঞ্জন তালুকদার, প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জু লাল দাস, প্রচার ম্পাদক রজত কান্তি চক্রবর্তী, কার্য নির্বাহী সদস্য প্রমোদ রঞ্জন দাস, রতন কান্তি দাস, জ্যোতিষ চন্দ্র পাল, রঞ্জিত চন্দ্র সন্তোষ, রজত চন্দ্র দাস ভুলন, রংগেশ কুমার দাস, পাপ্পু বর্ণি, নেহার রঞ্জন রায়, অ্যাডভোকেট রাসেল কান্তি দাস, দিলীপ রঞ্জন কুর্মি, ব্যাংকার দীপক কুমার দাস, বিকাশ রঞ্জন দাস, মিঠুন পৈত্য, কানাইঘাট উপজেলার সভাপতি ভজন লাল দাস, সাধারণ সম্পাদক অলক চক্রবর্তী, গোয়াইনঘাট উপজেলা সভাপতি সুভাষ চন্দ্র পাল ছানা, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ দাশ, জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি নিবারণ চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক প্রণত কান্ত দেব, বালাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি রিপন চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক অমল দাস আপন, ফেঞ্চুগঞ্জ শাখার সভাপতি বিজয় রঞ্জন দে, সাধারণ সম্পাদক শিপন পাল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নারদ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ সরকার, বিয়ানীবাজার উপজেলার সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, ওসমানীনগর উপজেলার সভাপতি চয়ন পাল, সাধারণ সম্পাদক শংকর সেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলার সভাপতি অনিল কান্ত পাল, জকিগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুক্তা লাল বিশ্বাস প্রমুখ। সভার শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন শিক্ষিকা শিবানী দে।
সভায় ১০ জুলাই সিলেট জেলা শাখার সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয় এবং শনিবার (২০ জুন) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পরমেশ্বর রামচন্দ্রের অবমাননা করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন সফল করে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।