রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ঋণ খুঁজছে সরকার সংবিধানকে সরকারি দল নিজেদের মতো ব্যাখ্যা করছে : নাহিদ ইসলাম গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি জেলা পশ্চিমের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রিমান্ড শেষে কারাগারে অপহরণ মামলার সেই ১০ আসামী মাদক নির্মূল, সড়ক দুর্ঘটনারোধ ও চোরাচালান বন্ধে বড় চ্যালেঞ্জ : নবাগত সিলেট পুলিশ সুপার ৭১ কখনো অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলবে না : কয়েস লোদী জৈন্তায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ২ জনের কারাদণ্ড সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী : এমপি এমরান দোয়ারায় ধান কর্তন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ঋণ খুঁজছে সরকার

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ঋণ খুঁজছে সরকার

নিউজ মিরর ডেস্ক
১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশে সিংহভাগ তেলই আমদানি নির্ভর। ক্রুড ও রিফাইন্ড ফুয়েল আমদানিতে বছরে খরচ হয় প্রায় ১ হাজার কোটি ডলার। গবেষণা সংস্থা জিরো কার্বন অ্যানালিটিকস (জেডসিএ) বলছে, মার্চে বাংলাদেশ ২ লাখ ৯৩ হাজার ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা করলেও এখন পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৬০ হাজার টনের অর্ডার। মধ্যপ্রাচ্য সংকট চললে বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় প্রায় ৫০০ কোটি ডলার বাড়তে পারে, যা ২০২৫ সালের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি।

এদিকে, সংকট মোকাবেলায় সরকারকে নতুন ঋণের আশ্বাস দিয়েছে একাধিক বিদেশি সহযোগী। গেলো সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনা হয়েছে ১৩০ কোটি ডলার ছাড় নিয়ে। ৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা অনুমোদন দিয়ে রেখেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), যা পরে বেড়ে ৭৫ বা ১শ’ কোটি ডলার হতে পারে। ২১০ কোটি ডলার ঋণ দিতে চায় ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)। বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান-আইএফসি থেকে আসতে পারে আরও ৫০ কোটি ডলার। এসব অর্থই জ্বালানি আমদানিতে ব্যবহারের সুযোগ আছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আমাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সকল প্রতিষ্ঠানের আস্থা তৈরি হয়েছে। আস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ, বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন, উৎপাদনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান… তাহলে কিন্তু অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়াবে।

ঋণের পরিধি বাড়লে চাপ পড়বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে। আমদানি সক্ষমতার সময়কাল বা ইমপোর্ট কভার নেমে আসতে পারে ৫ মাসের কমে। আরও বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি। প্রশ্ন হচ্ছে, এই চাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হলে অর্থনীতি কি সামাল দেয়া যাবে?

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, এই চাপ সরকারকে বহন করতে হবে। ভোক্তার দিকে এটাকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। আপদকালীন প্রয়োজন হচ্ছে, যেদিকে যাচ্ছে বিশ্ব, অনেক দেশ কিন্তু জ্বালানিকে সামনে রেখে ঋণ চাইবে। সেদিক থেকে আমি মনে করি যে স্বল্প সুদে কোথায় ঋণ পাওয়া যাবে, সেদিকেই সরকারকে নজর দিতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে জ্বালানি তেল নিয়ে ১৮টি জাহাজ আসার কথা ছিল। এখন পর্যন্ত পৌঁছেছে ৯টি।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo