বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
মেজরটিলায় পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস ইসলামপুর’ ক্যাম্পেইনও ডিজিটাল সেলফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও সেফটি প্ল্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মতবিনিময় সিলেটে যুক্তরাজ্যগামী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এএইচ জেড এসোসিয়েট এর প্রি-ডিপারচার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কালারফুল সিলেটের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘সিলেট হেরিটেজ আর্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত সিলেটের জিডিএফ’র প্রতিষ্ঠাতা রজব আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সাবেক সভাপতি রজব আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অবিস্মরণীয় : এম এ মালিক খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরের সমাবেশ ও গণমিছিল নিউ সিটি রোটারি ক্লাবের বৃক্ষরোপণ ও কুরআন বিতরণ সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সদস্য নির্বাচিত হলেন ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমদ
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ঋণ খুঁজছে সরকার

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ঋণ খুঁজছে সরকার

নিউজ মিরর ডেস্ক
১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশে সিংহভাগ তেলই আমদানি নির্ভর। ক্রুড ও রিফাইন্ড ফুয়েল আমদানিতে বছরে খরচ হয় প্রায় ১ হাজার কোটি ডলার। গবেষণা সংস্থা জিরো কার্বন অ্যানালিটিকস (জেডসিএ) বলছে, মার্চে বাংলাদেশ ২ লাখ ৯৩ হাজার ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা করলেও এখন পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৬০ হাজার টনের অর্ডার। মধ্যপ্রাচ্য সংকট চললে বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় প্রায় ৫০০ কোটি ডলার বাড়তে পারে, যা ২০২৫ সালের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি।

এদিকে, সংকট মোকাবেলায় সরকারকে নতুন ঋণের আশ্বাস দিয়েছে একাধিক বিদেশি সহযোগী। গেলো সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনা হয়েছে ১৩০ কোটি ডলার ছাড় নিয়ে। ৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা অনুমোদন দিয়ে রেখেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), যা পরে বেড়ে ৭৫ বা ১শ’ কোটি ডলার হতে পারে। ২১০ কোটি ডলার ঋণ দিতে চায় ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)। বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান-আইএফসি থেকে আসতে পারে আরও ৫০ কোটি ডলার। এসব অর্থই জ্বালানি আমদানিতে ব্যবহারের সুযোগ আছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আমাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সকল প্রতিষ্ঠানের আস্থা তৈরি হয়েছে। আস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ, বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন, উৎপাদনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান… তাহলে কিন্তু অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়াবে।

ঋণের পরিধি বাড়লে চাপ পড়বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে। আমদানি সক্ষমতার সময়কাল বা ইমপোর্ট কভার নেমে আসতে পারে ৫ মাসের কমে। আরও বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি। প্রশ্ন হচ্ছে, এই চাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হলে অর্থনীতি কি সামাল দেয়া যাবে?

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, এই চাপ সরকারকে বহন করতে হবে। ভোক্তার দিকে এটাকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। আপদকালীন প্রয়োজন হচ্ছে, যেদিকে যাচ্ছে বিশ্ব, অনেক দেশ কিন্তু জ্বালানিকে সামনে রেখে ঋণ চাইবে। সেদিক থেকে আমি মনে করি যে স্বল্প সুদে কোথায় ঋণ পাওয়া যাবে, সেদিকেই সরকারকে নজর দিতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে জ্বালানি তেল নিয়ে ১৮টি জাহাজ আসার কথা ছিল। এখন পর্যন্ত পৌঁছেছে ৯টি।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo