শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
উপশহরে গাছ নিধন : প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান সামছুল ইসলাম টিটু হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মোগলাবাজার থানা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চান সমাজসেবী চিনু আক্তার মে দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রস্তুতি সভা সিলেটে ক্যারিয়ার হাব পাওয়ার্ড বাই ব্র্যাক-এর উদ্যোগে এমপ্লয়ার্স মিট-আপ সেশন অনুষ্ঠিত হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি সিলেটের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত এনসিপি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আহবায়ক কমিটির বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো কবি ও বাচিকশিল্পী সালেহ আহমদ খসরুর একক কবিতাসন্ধ্যা প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ
সিলেটে সুপ্রীম কোর্টের আদেশ লঘন করে অভিযান, ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি

সিলেটে সুপ্রীম কোর্টের আদেশ লঘন করে অভিযান, ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি

নিউজ মিরর ডেস্ক
সিলেটে সুপ্রীম কোর্টের স্থগিতাদেশ অগ্রাহ্য করে ক্রাশারমিল ভাংচুর ও ক্ষতিসাধনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (২০ এপ্রিল) সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়। সিলেট সদরের এয়ারপোর্ট এলাকাধীন ধোপাগুল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিলেট এয়ারপোট থানার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ধোপাগুল মহালদিক আটকিয়ারি লালবাগ ছালিয়া এলাকায় পাথর ব্যবসায়ীদের বহু স্টোন ক্রাশার মিল রয়েছে। এসব মিলের মালিকগন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করছেন। সিলেটের বিভিন্ন কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় তারা আমদানী করা বোল্ডার কিনে ব্যবসা করছিলেন। তাদের এই পাথর ব্যবসা বন্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন ৭৫৫২/ ২০১৫ দাখিল করলে হাইকোর্ট পাথর ভাঙ্গার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ব্যবসায়ীগন এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে সিভিল পিটিশন ৩৩২/২০১৭ দায়ের করলে সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত ঘোষণা করেন। মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের স্থগিতাদেশের ভিত্তিতে ব্যবসায়ীগন তাদের ক্রাশার মিল ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। সুপ্রীম কোর্টের আদেশ লংঘন করে গত ১৩ এপ্রিল জেলা কালেক্টরেটরের ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এলাকার সবকটি ক্রাশার মিল ভেঙ্গে ফেলেন। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়।

আবেদনে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ লংঘন করে ব্যবসায়ীদের এহেন ক্ষতি সাধনের যথাযথ প্রতিকার দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা আবেদন প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo