রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান সামছুল ইসলাম টিটু হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মোগলাবাজার থানা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চান সমাজসেবী চিনু আক্তার মে দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রস্তুতি সভা সিলেটে ক্যারিয়ার হাব পাওয়ার্ড বাই ব্র্যাক-এর উদ্যোগে এমপ্লয়ার্স মিট-আপ সেশন অনুষ্ঠিত হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি সিলেটের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত এনসিপি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আহবায়ক কমিটির বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো কবি ও বাচিকশিল্পী সালেহ আহমদ খসরুর একক কবিতাসন্ধ্যা প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আজহারুল ইসলাম মুমিন
শাহ আরেফিন টিলা ‘ধ্বংসের মূল হোতা’ বশর গ্রেফতার

শাহ আরেফিন টিলা ‘ধ্বংসের মূল হোতা’ বশর গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন (র.) এর টিলা ও মাজার খুঁড়ে পাথর তুলে ‘ধ্বংসের মূল হোতা’ বশর মিয়া ওরফে বশর কোম্পানিকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। বশর মিয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জালিয়ারপাড় গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

তাকে গ্রেফতারের সময় আব্দুল মালেক নামে আরো একজনকে গ্রেফতার করা হয়। মালেক একই উপজেলার বৈশাখান্দী বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর শুরু হয় শাহ আরেফিন টিলা থেকে পাথর উত্তোলন। এসময় প্রায় ৭’শ বছরের পুরাতন শাহ আরেফিন (র.) এর মাজারে স্তুপ করে রাখা ২ কোটি টাকার পাথর লুটপাট করা হয়। এর পর মাজারের শতবর্ষী গাছপালা কেটে নিয়ে সেখানে গর্ত করে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। দীর্ঘ ১ বছর পাথর উত্তোলন করে বিলীন করা হয়েছে মাজার কবরস্থান ও খেলার মাঠ। আর এসবই হয়েছে বশর কোম্পানির নেতৃত্বে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বশর কোম্পানি আগে থেকেই শাহ আরেফিন টিলা ধ্বংসের বেশ কয়েকটি মামলার আসামি রয়েছে। তাছাড়া অস্ত্র এবং পুলিশ এসল্ট মামলাও ছিল তার বিরুদ্ধে। তিনি এলাকায় খুব প্রভাবশালী হওয়াতে সহজে কেউ কথা বলতে চায় না। সেই সুবাধে তার ভাইদের দিয়ে তিনি শাহ আরেফিন টিলা ও মাজার ধ্বংস করে পাথর উত্তোলন করান। তবে এ নিয়ে বেশ কয়েকবার মাজার রক্ষাকারীদের সাথে তাদের মারামারি হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রতন শেখ জানান, বশর মিয়ার বিরুদ্ধে ৪টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। তাছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ১ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আব্দুল মালেককে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়। তাদেরকে বিকালে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo