
স্টাফ রিপোর্ট
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নির্বাহী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্যকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সিলেটের কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
অংশুমান ভট্টাচার্যের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁর সম্পর্কে মনগড়া ও অসত্য তথ্য ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, “আমি একজন নিরীহ, শান্তিপ্রিয় ও পেশাদার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সিলেট সিটি করপোরেশনে দায়িত্ব পালন করছি। আমার কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত দায়িত্বের বাইরে অযাচিত কোনো বিরোধে আমি কখনো জড়াইনি। আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রমাণ ও তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা উচিত। কিন্তু যাচাই-বাছাই ছাড়া মনগড়া তথ্য প্রচার করে আমাকে ও আমার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করার অধিকার কারও নেই।”
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক পেশা। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি। অথচ আমাকে নিয়ে যেসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যম আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি কিংবা আমার বক্তব্য নেওয়ার ন্যূনতম সৌজন্যটুকুও দেখায়নি।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “একজন ব্যক্তির বক্তব্য না নিয়ে, তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করা কীভাবে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা হতে পারে? সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, কিন্তু সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে কারও ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্মানহানি করার অধিকার নেই।”
অংশুমান ভট্টাচার্য আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা যেতে পারে। কিন্তু উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে শুধু একজন ব্যক্তি নয়, তাঁর পরিবারের সদস্যরাও অযাচিত সামাজিক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।
তিনি এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অসত্য, মানহানিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলেও জানান তিনি।
যাচাই বিহীন তথ্য প্রচার ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ছেন তিনি।