
সিলেটের কিছু প্রিন্ট ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে “সিলেটে পুলিশ ছেলের দাপটে পার পাচ্ছেন জুলাই আন্দোলনের মামলার আসামী বাবা” শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
উক্ত সংবাদে আমার ও আমার পরিবারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মূলত একটি কুচক্রী মহল আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে এই অসত্য তথ্য সরবরাহ করে একটি দায়িত্বশীল পত্রিকাকে বিভ্রান্ত করেছে।
আমি শরিফ উদ্দিন, পিতা- কালা মিয়া, সাং- তুরং, ডাক- রণিখাই কামাল বস্তি, থানা- কোম্পানীগঞ্জ, জেলা- সিলেট। দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর যাবৎ অত্যন্ত সুনামের সাথে বাংলাদেশ পুলিশে (বর্তমানে সিলেট রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে) কর্মরত আছি। চাকুরীজীবনে আমি কখনোই ক্ষমতার অপব্যবহার করিনি এবং আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কোনো ধরনের অসদাচরণের বা শৃঙ্খলাভঙ্গের রেকর্ড নেই। দেশ ও জনগণের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় বিভিন্ন সময় আমি ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃতও হয়েছি।
সংবাদে যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের কথা বলা হয়েছে, মূলত তা আমাদের পারিবারিক বিষয়। এ বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতে আইনি প্রক্রিয়া ও মামলা চলমান রয়েছে। বিচারাধীন একটি বিষয়কে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং আদালতের রায়কে প্রভাবিত করতে একটি পক্ষ আমার পুলিশ পরিচয়কে ব্যবহার করে ভুয়া ও মানহানিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
শরিফ উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক পেশা। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি। অথচ আমাকে নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যম আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি কিংবা আমার বক্তব্য নেওয়ার ন্যূনতম সৌজন্যটুকুও দেখায়নি।
তিনি এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অসত্য, মানহানিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।