বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
সাইটের সংস্কার কাজ চলছে, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
কোনো ষড়যন্ত্রই রাহিমা খানমকে দমিয়ে রাখতে পারেনি

কোনো ষড়যন্ত্রই রাহিমা খানমকে দমিয়ে রাখতে পারেনি

নিউজ মিরর ডেস্ক
প্রবাসী রাহিমা খানম। একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা। বিশ্বের জনপ্রিয় এআরআরকে ইন্টারন্যাশনাল কনসালটেন্সি নামক প্রতিষ্ঠানের সিইও তিনি। তার প্রতিষ্ঠান প্রধানত স্টুডেন্ট ভিসা, উচ্চশিক্ষা, ইমিগ্রেশন, বিদেশ ভ্রমণ, আইডিপি এডুকেশন, সেনজেন এডুকেশন, গ্লোবাল স্ট্যাডি এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ইউকে, ইউএসএ, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় ভর্তির সুযোগ ও ভিসা প্রসেসিংয়ে সহায়তা করে।

তার কর্ম ক্ষেত্রে উন্নতি দেখে একটি মহল গেলো কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাইবার বুলিং করছে। এমনকি তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিলেটের আদালতে মামলাও করেছে। কিন্তু শেষমেষ সেই দুষ্টু চক্র তার কিছুই করতে পারেনি। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র বা শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কিভাবে সাফল্যের গল্প রচনা করা যায়। আজ তিনি প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রথম সাড়ির কয়েকটি দেশে আজ তার প্রতিষ্ঠানের ব্রাঞ্চ রয়েছে।

জানা গেছে, প্রবাসে যাবার পর তিনি সুনামের সাথে তার প্রতিষ্ঠান মাধ্যমে দেশ থেকে অসংখ্য ছাত্রদের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠিয়েছেন। নিজের কোম্পানীর মাধ্যমে অনেক গরীর স্টুডেন্টদের নিজের ৫০% টাকা দিয়ে সেটেল করেছেন। ২০২৪ সালে একটি বিদেশী কোম্পানী রাহিমা খানমের ২৮ জন ক্লাইন্টদের টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে রাহিমা খানম অন্যদের মতো নিজের মোবাইল সিম পরিবর্তন না করে ক্লাইন্টদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের টাকা পরিশোধ করেন। তার এসব উন্নতি দেখে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাইবার বুলিং ও তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করে। রাহিমা খানম এসব বিষয়ে মোকাবিলা করেন। এবং এসব মামলায় বেকসুর খালাস পান রহিমা খানম ও তার পরিবারের সদস্যরা। এর আগে এসকল মামলার বাদীরা তারা নিজ উদ্যোগে তাদের মামলা মহামান্য আদালতে গিয়ে প্রত্যাহার করেন। বর্তমানে তার এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে আদালতে কোনো মামলা নেই।

এসব বিষয়ে এআরআরকে ইন্টারন্যাশনাল কনসালটেন্সির সিইও রাহিমা খানম বলেন, কর্ম ক্ষেত্রে আমার উন্নতি দেখে একটি মহল গেলো কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাইবার বুলিং করেছে। এসব বিষয়ে আমি পাত্তা দেই নি। কারণ কর্মক্ষেত্রে আমি সৎ ছিলাম। তারা আমার স্বামী এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করেছিলো। এমনকি আমার ছোট্ট সন্তানকে নিয়েও লিখালিখি করেছে। কোনো ষড়যন্ত্রই আমাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। আমি শুধু আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছি। আজ বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রথম সাড়ির কয়েকটি দেশে আমার প্রতিষ্ঠানের ব্রাঞ্চ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাইবার বুলিংয়ের সময় লিখা হয়েছে, সিলেটের কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক এবং অ্যাডভোকেটকে মনগড়া তথ্য দিয়ে তাদের জড়ানো হয়েছে। তবে এই সাইবার বুলিংয়ে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। মূলত এসকল সিনিয়র সাংবাদিক এবং অ্যাডভোকেটকেদের সহযোগীতা নিয়ে, তাদের মাধ্যমে তিনি আমার ক্লাইন্টদের টাকা পরিশোধ করেছি। তাছাড়া, সম্মানী মানুষের সাথে সিলেটের সুধীজনের সম্পর্ক থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

তিনি এসব সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, অসত্য, ভিত্তিহীন ও মনগড়া সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি কুচক্রী মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে। এসব বিষয়ে আমি এবং আমার পরিবারকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। আমি এসব বিষয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ইতিমধ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি ভুক্ত করেছেন আমার স্বামী। যারা এসব করেছেন-তাদের উদ্দেশ্যে বলবো, ভবিষ্যতে এসব কিছু লিখার আগে একটু খোঁজ-খবর নেবেন। অন্যথায় আমি আমার নিয়োগকৃত অ্যাডভোকেট মাধ্যমে আইনি সহায়তা নিতে বাধ্য হব।

 

শেয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিন, ধন্যবাদ।




© All rights reserved © 2012 Newsmirror24.news
ThemesBazar-Jowfhowo